ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় এক বিধবা নারীকে কোমল পানির সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে ধর্ষণ এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী। তিনি উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত যুবকের নাম তিতাস, তিনি পার্শ্ববর্তী জীবননগর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। তিন কন্যার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তিনি তাঁর ৯ বছর বয়সী নাতিকে নিয়ে একাই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। অভিযুক্ত তিতাসের নানাবাড়ি ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশেই হওয়ায় তিনি নিয়মিত সেখানে যাতায়াত করতেন এবং ওই নারীকে ‘নানি’ বলে ডাকতেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৪ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত যুবক বাড়িতে এসে গল্পের একপর্যায়ে কোমল পানির স্প্রিড বোতলে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে কৌশলে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর নাতিকে পান করান। কিছুক্ষণ পর দুজনই অচেতন হয়ে পড়েন।
এ সময় অভিযুক্ত ওই নারীকে ধর্ষণ করে এবং ঘরে থাকা প্রায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।###