
এর আগে যিনি তেহরানের জনশূন্য রাস্তাঘাট ও চেকপোস্টের কথা বলেছিলেন, সেই স্থানীয় বাসিন্দার কাছ থেকে আমরা আরও কিছু তথ্য পেয়েছি। নিরাপত্তার কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি জানান, সাধারণত তেহরানের ব্যস্ততম এলাকা ইরানশাহর স্ট্রিটের বেশিরভাগ দোকান এখন বন্ধ।
“এখানেই আমি বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করি,” তিনি বলেন। “এক-দুই সপ্তাহ আমাদের আগেই দেখা হয়েছিল, তবুও এখন মনে হচ্ছে যেন অনেক মাস ধরে কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় কোন কোন এলাকা লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে, সে বিষয়ে তারা নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করছেন। এসব তথ্য তারা পেয়েছেন এক বন্ধুর কাছ থেকে, যিনি ভিপিএন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে পারছেন।
ওই বাসিন্দা বলেন, “এটা অদ্ভুত এক অনুভূতি। কিছুটা মহামারীর সময়ের মতো। সবাই ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, সামনে কী হবে কেউ জানে না। তবে ভেতরে ভেতরে সবাই জানে, একসময় না একসময় এই পরিস্থিতি শেষ হবে এবং জীবন আবার স্বাভাবিক হবে।”
তিনি আরও জানান, রাস্তায় ছবি বা ভিডিও তোলা ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও তিনি ইরানশাহর স্ট্রিটের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। কয়েক মাস আগে এখানেই একটি রক ব্যান্ড খোলা জায়গায় গান গেয়ে ভাইরাল হয়েছিল। পরে সেই ভিডিও জনপ্রিয় হওয়ার পর সরকার ওই সংগীতশিল্পীদের গান গাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।
তথ্যসূত্র: বিবিসি