চকরিয়া পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের মৃত আকবর আহমেদের পুত্র নাজিম উদ্দীন ও বিএমচর ছৈনাম্মাঘোনা এলাকার আবদু বাচু র পুত্র নুরুল আলম ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে অবৈধভাবে অন্যের জমি জোরপূর্বক দখলের মিশনে নেমেছে।
পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আরিফ দুলালের পৈতৃক সম্পত্তির দিকে এবার তাদের নজর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের আমান পাড়ার মৃত আকবর আহমেদের পুত্র নাজিম উদ্দীন এসব কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় তার কর্মস্থল আনসার ভিডিপি থেকে চাকরিচ্যুত হয়। তিনি শেখ হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ঐক্য পরিষদের চকরিয়া উপজেলা সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন। অন্য দিকে ভাড়াটিয়া বিএমচর ১ নং ওয়ার্ডের ছৈনম্মাঘোনার নুরুল আলম দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকায় ভাড়া গিয়ে জমি দখল করে দেন। চকরিয়া থানায় একাধিক তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে। নিজ বাড়িতে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেন। গত ২ মাস আগেও অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে আটক হয় এবং জেল থেকে ফিরে আবারও এসব কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছে। তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে নিরহ মানুষদের হয়রানি শুরু করেছে।
এদিকে বিএনপি নেতা দুলালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ সংবাদটি দৃষ্টি গোচর হয়েছে। চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আনোয়ারুল আরিফ দুলাল, তার ভাই বাবুল মিয়া ও বাদল মিয়ার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
ভুক্তভোগী আনোয়ারুল আরিফ দুলাল জানান, আমার পৈতৃক সম্পত্তি গুলো আমান পাড়া তথা নাজিম উদ্দীনের বাড়ির লাগোয়া হওয়ায় সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অবৈধভাবে দখলে নিতে চেষ্টা করছিলো। বিগত আ.লীগ সরকারের আমলে সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে দিয়ে জোরপূর্বক দখলে চেষ্টা করে এবং মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। কিন্তু কাগজে- কলমে সঠিক থাকায় আদালত জমিটুকু আমাদের বুঝিয়ে দেন। তারা বার বার ব্যর্থ হয়ে গত ৫ আগস্টের পর অন্যদলের ছত্রছায়ায় আবারও পূনরায় দখলে নিতে মরিয়া হয়ে গেছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপি ও সিনিয়র নেতাকর্মীদের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করা ও আমার পরিবারকে দলের কাছে দোষী সাব্যস্ত করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে কিছু কুচক্রী মহল।
তিনি আরও জানান, আমি পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণকে নিরলস সেবা দিয়েছি। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। আমার প্রতিপক্ষ মিলে এসব অপপ্রচারে নেমেছে। জমির মালিক ৫-৭ হওয়ার ফলেও সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে আমার ছবিতে ক্রস চিহ্ন মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দলীয় নেতাকর্মীদের এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে তারা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করলেন
।###