জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও দণ্ডপ্রাপ্ত সকলকে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জামালপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। আর খালাস পাওয়া ব্যক্তির নাম ইদ্রিস আলী। তারা সকলেই জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।মামলার বাদী ভুক্তভোগী গৃহবধূ শেরপুর জেলার চকপাঠক গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইক যোগে বকশীগঞ্জের জানকিপুরের ভাড়া বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে গাড়িটি থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যান গাড়িতে তুলে নেয় আসামিরা। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় ফরিদ নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ছয়জনের নামে ও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
৮ মাস পর মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল চার্জশিট দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং ৯ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।