কক্সবাজার জেলায় টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি অবস্থায় আছে লাখো মানুষ ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা। কক্সবাজারে ৭৪টি ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন অবস্থান করছে। সব চেয়ে বেশি মারা গেছে চকরিয়ায়।মাতামুহুরি উপজেলার বন্যা কবলিত পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে উপজেলা বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শুকনা খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন।
রবিবার (১২ জুলাই) উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রামে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চয়োরম্যান আনোয়ারুল আরিফ দুলাল, মাতামুহুরি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জমির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আলাউদ্দিন লিটন, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ক্ষতিগ্রস্তের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা, বিদ্যুৎ ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।