চকরিয়া পৌরসভার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমি জোরপূর্বক দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি অভিযোগ উঠেছে পৌর ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত শামশুল আলমের পুত্র আজিজুল ইসলাম সোহেল ও মো: কাজলের চক্রের বিরুদ্ধে।প্রশাসনিক তদন্তেও সওজ’র জমিতে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। গত ২১ অক্টোবর এ ঘটনায় সওজে অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধ স্থাপনা/ দোকানঘর নিমার্ণ কাজ বন্ধসহ অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা অপসারণের জন্য নোটিশ দেন চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের প্রকৌশলী মো: আবদুল কাদের জিলানী।
সওজ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের আওতাধীন ঢাকা ( যাত্রাবাড়ি)কুমিল্লা ( ময়নামতি)-চট্টগ্রাম- কক্সবাজার- টেকনাফ মহাসড়কে( এন-১)এর ৩৩৪ কি.মি:( চেইনেজ-৩৩৩+৩৭৪) এর সড়কের ডান পাশে চকরিয়া পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড মৌলভীরকুম এলাকায় সরকারি আদেশ অমান্য করে সরকারি জমিতে চলাচলের রাস্তা জোর পূর্বক দখল ও স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যাহা মহাসড়ক আইন-২০২১ এর ধারা ৯ এর উপধারা ১১ অনুসারে মহাসড়কে স্থাপনা তৈরির সুযোগ নেই।
চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের প্রকৌশলী মো: আবদুল কাদের জিলানী দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, সওজ বিভাগের উক্ত সরকারি জমিতে অবৈধভাবে দোকানঘর তৈরি করে দখল করেছেন পৌর ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত শামশুল আলমের পুত্র আজিজুল ইসলাম সোহেল ও মো: কাজল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , আরিফুল ইসলাম সোহেল চকরিয়া পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বে রয়েছে। তিনি দলের নাম ভাঙিয়ে সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মহাসড়ক আইন-২০২১ এর ধারা অমান্য করে স্থাপনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এবিয়ষে আরিফুল ইসলাম সোহেল মুটোফোনে একাধিক কল করেও যোগাযোগ সম্ভব হয় নি।
চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের উপ- সহকারি প্রকৌশলী আবু হানিফ বলেন, ওই স্থানে সোহলে নামের এক ব্যক্তি স্থাপনা নির্মাণের সত্যতা পেয়েছি। তাদের তিন দিনের মধ্যে স্থাপনা গুলো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। সম্প্রতি শারদীয় দূর্গাপূজার লম্বা ছুটে কর্মকর্তারা ছুটিতে গেলে সে সুযোগে চক্রটি স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে। অফিস চালু হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।