শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা লামায় সার্ভেয়ার মোঃ আতিকুর রহমান এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ চকরিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় মহানবমীতে চকরিয়া হরি মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যোগে স্কুল ও মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য লক্ষাধিক টাকা সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ব্যবহৃত মেশিন জব্দ ও ধ্বংস চকরিয়ায় মিথ্যা মামলা থেকে জামিন পেলেন কলেজ শিক্ষার্থী আরমান,আদালতে প্রতারণা মামলা লামায় জমি নিয়ে বিরোধ, ভোগান্তিতে ভুক্তভোগী পরিবার

অবৈধ পলিথিন ও বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সারা দেশে একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এসব অভিযানে পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমন, শব্দদূষণসহ বিভিন্ন পরিবেশ দূষণকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী ও সুনামগঞ্জ জেলায় পরিচালিত অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করা হয় এবং সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ৬৮ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়।

একই দিনে ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় যানবাহনের মানমাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চারটি মামলায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি মামলায় ২৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৬৩৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ৪ হাজার ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান চলাকালে ৪৮৯টি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, ২১৬টি ভাটাকে বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং ১৩৩টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ২৫টি পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সিলগালা করা হয়। ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ ট্রাক সিসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের দূষণবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews