1. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  2. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  3. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-১৪ আসনে এগিয়ে ব্যারিষ্টার আরমান জান্নাত পার্টি থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে – সালাহউদ্দিন আহমেদ লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ধানের শীষে ভোট দিন-সালাহউদ্দিন আহমদ চকরিয়ায় অসহায় পরিবারের জমি জবরদখলের চেষ্টা, নারীসহ পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি আদালতের আদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা: ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি চকরিয়ায় নিঃসন্তান বৃদ্ধের শেষ সম্বল দুই গরু চুরি- এক চোখ হারানো নাতনীর চিকিৎসার স্বপ্ন ভেঙে কান্নায় নিঃস্ব দম্পতি রামুতে ২০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক ঈদগাঁও স্টেশনে হাতপাখার পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস আমীরুল ইসলাম মীরের গনসংযোগ মারাত্মকভাবে ভোট কারচুপির শঙ্কা দেখছি : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই, তাদের বিশ্বকাপে না থাকাটা দুঃখজনক: পাক অধিনায়ক জনগণকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে-আব্দুল্লাহ আল ফারুখ

কোন অপরাধ ছাড়াই ৪ ঘন্টা হাজতে আটকে রাখলেন সাংবাদিক ছামিউল আলমকে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজেট্রেট সুলতান মাহমুদ আলোকিত বাংলাদেশের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি তার ক্ষমতার অপব্যাবহার করে ৪ ঘন্টা হাজতখানায় আটকে রেখে তার সুবিধামত মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক মোঃ ছামিউল আলম জানান, আমি গত ০২-০৬-২০২৫ ইং তারিখে শেরপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সুলতান মাহমুদ এর সাক্ষরে একটি বিজ্ঞাপন আলোকিত পত্রিকায় পাই সেই বিল কিছু দিন আগে আমার হাতে পাই তা থেকে আমি ঐ বিচারকের জন্য ২ কেজি ছানার পায়েস নিয়ে যাই তাতক্ষনাত জহুরের নামাজের সময় হওয়ার জন্য আমি এজলাস চলাকালিন সময়ি তার অফিস সহায়ক রাসেলের কাছে রেখে যাই। আমি নামাজ পড়া অবস্থায়ে তারি আফিস সহায়ক তাজুল ইসলাম আমাকে সুলতান মাহমুদের অফিসে আসার জন্য ফোন দেন। আমি নামাজ শেষ করে তার অফিসে যাই সেখানে তার বেঞ্চ সহকারী মোঃমাজহারুল ইসলাম ও তার স্টেনো মোঃরোফ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে সে আমাকে জিজ্ঞেস করেন হাতে কি এটা আমি বলি স্যার এটা আমাদের শেরপুরের জামিয়ার ছানারপায়েস আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসছিলাম যদি আপনি নেন তাহলে নিবেন না হলে আমি নিয়ে চলে যাব। উনি আমার কথার কোন উত্তর না দিয়ে তার সুবিধা মত পুলিশ দিয়ে আমাকে শেরপুর জজ কোর্ট আদালতের গাড়ত খানায় ৪ থেকে ৫ ঘন্টা আটকে রাখে। ঐ কোর্ট এর অনেক উকিল, শেরপুরের সাংবাদিকদ ও কোর্ট পুলিশের সহায়তায় আমাকে ছাড়া কিন্তুু তার সুবিধামত মুচলেকা রাখে যে আমি মামলার ধার্য তারিখ ছাড়া কোর্ট প্রাঙ্গনে আসতে পারবনা। ইতি মধ্যে সে আমার একটা মামলার ৭ জন আসামির মধ্যে ৫ জনকে খালাস দিয়ে মাত্র ২ জনকে সাজা দিয়েছে ১ জনকে মাত্র ১ বছর ও ১ জনকে মাত্র ৬ মাস- যেখানে ৪ থেকে ৫ জনের দীর্ঘ মেয়াদি সাজা হওয়ার কথা। আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট