1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এবার বিস্ফোরণে কাঁপলো ইরাক চকরিয়ায় মেয়র পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ঝড় তুলেছেন লন্ডন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি জামাল চৌধুরী বাউবি বিএড শিক্ষার্থীদের কক্সবাজার পিটিআই স্টাডি সেন্টারে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১ রমজান পর্যন্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণ আগাম মুকুলে হাসি ফুটেছে বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারে কৃষকদের চকরিয়ায় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন দোয়া চেয়েছে চকরিয়ায় বসতঘর জবর দখলের চেষ্টা, মা-মেয়ে আহত চকরিয়ায় প্রশাসনের বাজার মনিটরিং, ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা রুম টু রিড বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে কক্সবাজার এর রামু ও সদর উপজেলায় কর্মসূচি অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক পুত্র শাবাব ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে

লামায় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে লামায় দুই বোনের অভিযোগ, ভাইয়েরা ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও উচ্ছেদের হুমকি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমন্বিত ও টেকসই পৌর পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় লামা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ফকিরপাড়ায় জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুই বোন তাদের ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং ভিটা থেকে উচ্ছেদের হুমকির অভিযোগ এনেছেন। নিরক্ষর ও অসহায় ভুক্তভোগী পরিবারটি সুবিচারের আশায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী দুই বোন, রেজিয়া বেগম ও আনোয়ারা বেগম, জানান যে তাদের ভাই মো. রহিম এবং মো. করিম পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তাদের জমির অংশ অধিগ্রহণের কথা বলে তাদের নিরক্ষরতার সুযোগ নিয়ে জোর করে স্বাক্ষর নেন। তখন তাদের বলা হয়েছিল যে অধিগ্রহণের টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো টাকা পাননি। দুই বোন অভিযোগ করেন যে তাদের ভাইয়েরা প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এখন উল্টো তাদের বসতভিটা থেকেও উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।এই ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাসির নুর বলেন, “টাকা না দিয়েই তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এটা এক ধরনের প্রতারণা।” আরেক বাসিন্দা সফর আলী বলেন, “প্রকল্পের খবর শুনে জায়গার দাম বেড়ে যাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. রহিম বলেন, “আমাদের পরিবারে জায়গার কাগজপত্র ঠিক নেই। কাগজপত্র ঠিক করার জন্য সব বোনদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হয়েছে এবং কাগজপত্র রেজিস্ট্রির জন্য নেওয়া হয়েছে। এখন বোনদের মাঝে দ্বিতীয় পক্ষ ভুল ধারণা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। পারিবারিক এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট