
জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে আছেন নেইমার জুনিয়র। চোট কাটিয়ে ব্রাজিলিয়ান এই তারকা যখন ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে মরিয়া ঠিক তখনই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হয়েছেন। নেইমারের বিরুদ্ধে রাঁধুনিকে অতিরিক্ত কাজের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, নেইমার প্রতিদিন সেই নারী রাঁধুনিকে দিয়ে ১৫০ জন বন্ধু-বান্ধবীদের জন্য রান্না করাতেন।
অতিরিক্ত কাজের চাপে সেই রাঁধুনি অসুস্থও হয়ে গিয়েছেন। এমন অভিযোগ এনে নেইমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর রাধুনি-খবর ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম মেট্রোপোলসের।
নেইমারের বিরুদ্ধে করা এই মামলা বর্তমানে ব্রাজিলের আঞ্চলিক শ্রম আদালতে বিচারাধীন। মেট্রোপোলস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী, কাজের অতিরিক্ত চাপের কারণে ওই কর্মী গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়েছেন। প্রতিদিন প্রায় ১০ কেজি ওজনের মাংস বহন করা এবং দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বাজারের ব্যাগ ওঠানামা করার কারণে তার শরীরে গুরুতর চাপ পড়ে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই বিশাল কাজের চাপের কারণে তাকে প্রতিদিন প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হতো। তিনি প্রথমে রিও ডি জেনিরোর একটি বিলাসবহুল ভিলায় কাজ শুরু করার সময় যে সময়সূচিতে সম্মত হয়েছিলেন, বাস্তবে ছিল তার উল্টো।
রাঁধুনির আইনজীবীরা জানান, ‘বাদী নিয়মিতভাবে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পাননি। পুরো চাকরির সময় তাকে লাঞ্চ ব্রেকের জন্য উপস্থিতি নথিভুক্ত করতে বাধ্য করা হতো, যদিও সেই সময়েও তিনি কাজ করতেন।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসে প্রায় ১,০৬৫ পাউন্ড বেতন পাওয়া ওই রাঁধুনি এখন মোট ৩৭,৫৪৪ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় নেইমারের কাছে প্রায় ৬১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। এই অর্থের মধ্যে রয়েছে চাকরি ছাড়ার ভাতা, জরিমানা, বকেয়া অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক, চিকিৎসা খরচ এবং কাজের সময় নির্ধারিত বিরতি না পাওয়ার ক্ষতিপূরণ।