
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঈদগাঁও
মহাসড়কের পরবর্তী আভ্যন্তরীণ ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে প্রায়শ খোলা লবন পরি বহনের কারনে চলাচল রাস্তার স্থায়ীত্ব ও টেক সইয়ের ব্যাঘাতের আশংকা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লোকজনসহ পথচারীরা। এই বিষয়ে দেখার কেউ না থাকার হতাশ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিবহন বিধিনিষেধ না মেনে ট্রাকের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে খোলা লবণ পরিবহন করা হচ্ছে।
অপরিশোধিত খোলা লবণ পরিবহনকারী ট্রাক থেকে নিঃসৃত নোনাপানির প্রভাবে সড়কের প্রায় অর্ধেক রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী অসংখ্য যানবাহন ও পথচারীরাদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
প্রাপ্ত তথ্যে মতে, কক্সবাজার সদর চৌফলদন্ডী এলাকায় লবণ চাষের উপযোগী মাঠ রয়েছে। প্রতিবছর এ মাঠে উৎপাদন হচ্ছে হাজার হাজার মেট্রিক টন লবণ। লবণ বিক্রি বা পরিশোধিত করার জন্য ইসলামপুর শিল্প এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন সল্ট ইন্ডাস্ট্রিতে নেওয়া হয়। এসব অপরিশোধিত খোলা লবণ গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে পরিবহন করা হচ্ছে। যার ফলে লবণ বোঝাই ট্রাক থেকে নোনা পানি পড়ে পিচঢালা সড়কে সৃষ্ট পিচ্ছিলতা রাস্তার স্থায়িত্ব বা ঠেকসইয়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি ঝুঁকির মুখে পথচারী ও যানবাহন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে সড়কের উপর লবণ বোঝাই কার্যক্রম চলছে। এতেই প্রতিনিয়ত সড়ক দিয়ে যাতায়াত কারী লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, ট্রাকে খোলা লবণ পরিবহনের ক্ষেত্রে নেই নিয়মনীতি। যার ফলে লোকজনসহ যানবাহনের চরম অসুবিধা হচ্ছে। যেকোন মুহুর্তে সড়ক নোনাপানিতে পিচ্চিলের কারনে দূঘটনা ঘটতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচেতন যুবকের মতে, খোলা লবণ পরিবহনে একসময়ে পলিথিন ব্যবহার করা হতো। এখন করা হয়না। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।