
আকতার মিয়া, মহেশখালী, কক্সবাজার।
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সাফিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মনিপুর এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সাফিয়াকে মারধরের পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় সাফিয়া আক্তারকে প্রতিবেশীদের সহায়তায় শাপলাপুর এলাকার এক পল্লী চিকিৎসকের চেম্বারে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, এরপর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা মরদেহ রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিকেলে ওই পল্লী চিকিৎসকের চেম্বার থেকে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সাফিয়া আক্তারের বাড়ি একই ইউনিয়নের মিটাছড়ি এলাকায়। তার স্বজন তারেক অভিযোগ করেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির অন্য কোনো সদস্যকে পাওয়া যায়নি। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।
মহেশখালী থানার ওসি আব্দুস সোলতান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড—এ মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”