1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এবার বিস্ফোরণে কাঁপলো ইরাক চকরিয়ায় মেয়র পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ঝড় তুলেছেন লন্ডন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি জামাল চৌধুরী বাউবি বিএড শিক্ষার্থীদের কক্সবাজার পিটিআই স্টাডি সেন্টারে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১ রমজান পর্যন্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণ আগাম মুকুলে হাসি ফুটেছে বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারে কৃষকদের চকরিয়ায় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন দোয়া চেয়েছে চকরিয়ায় বসতঘর জবর দখলের চেষ্টা, মা-মেয়ে আহত চকরিয়ায় প্রশাসনের বাজার মনিটরিং, ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা রুম টু রিড বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে কক্সবাজার এর রামু ও সদর উপজেলায় কর্মসূচি অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক পুত্র শাবাব ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে

কোন অপরাধ ছাড়াই ৪ ঘন্টা হাজতে আটকে রাখলেন সাংবাদিক ছামিউল আলমকে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজেট্রেট সুলতান মাহমুদ আলোকিত বাংলাদেশের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি তার ক্ষমতার অপব্যাবহার করে ৪ ঘন্টা হাজতখানায় আটকে রেখে তার সুবিধামত মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক মোঃ ছামিউল আলম জানান, আমি গত ০২-০৬-২০২৫ ইং তারিখে শেরপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সুলতান মাহমুদ এর সাক্ষরে একটি বিজ্ঞাপন আলোকিত পত্রিকায় পাই সেই বিল কিছু দিন আগে আমার হাতে পাই তা থেকে আমি ঐ বিচারকের জন্য ২ কেজি ছানার পায়েস নিয়ে যাই তাতক্ষনাত জহুরের নামাজের সময় হওয়ার জন্য আমি এজলাস চলাকালিন সময়ি তার অফিস সহায়ক রাসেলের কাছে রেখে যাই। আমি নামাজ পড়া অবস্থায়ে তারি আফিস সহায়ক তাজুল ইসলাম আমাকে সুলতান মাহমুদের অফিসে আসার জন্য ফোন দেন। আমি নামাজ শেষ করে তার অফিসে যাই সেখানে তার বেঞ্চ সহকারী মোঃমাজহারুল ইসলাম ও তার স্টেনো মোঃরোফ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে সে আমাকে জিজ্ঞেস করেন হাতে কি এটা আমি বলি স্যার এটা আমাদের শেরপুরের জামিয়ার ছানারপায়েস আপনার জন্য হাদিয়া নিয়ে আসছিলাম যদি আপনি নেন তাহলে নিবেন না হলে আমি নিয়ে চলে যাব। উনি আমার কথার কোন উত্তর না দিয়ে তার সুবিধা মত পুলিশ দিয়ে আমাকে শেরপুর জজ কোর্ট আদালতের গাড়ত খানায় ৪ থেকে ৫ ঘন্টা আটকে রাখে। ঐ কোর্ট এর অনেক উকিল, শেরপুরের সাংবাদিকদ ও কোর্ট পুলিশের সহায়তায় আমাকে ছাড়া কিন্তুু তার সুবিধামত মুচলেকা রাখে যে আমি মামলার ধার্য তারিখ ছাড়া কোর্ট প্রাঙ্গনে আসতে পারবনা। ইতি মধ্যে সে আমার একটা মামলার ৭ জন আসামির মধ্যে ৫ জনকে খালাস দিয়ে মাত্র ২ জনকে সাজা দিয়েছে ১ জনকে মাত্র ১ বছর ও ১ জনকে মাত্র ৬ মাস- যেখানে ৪ থেকে ৫ জনের দীর্ঘ মেয়াদি সাজা হওয়ার কথা। আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট