Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
ভোরের কণ্ঠ

সত্যের সন্ধানে সারাক্ষণ

ভোরের কণ্ঠ

সত্যের সন্ধানে সারাক্ষণ

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • আজ দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • ময়মনসিংহ
    • সিলেট
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • খাদ্য ও পুষ্টি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • আমাদের সাংবাদিকবৃন্দ
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • আজ দেশজুড়ে
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • ময়মনসিংহ
    • সিলেট
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • খাদ্য ও পুষ্টি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • আমাদের সাংবাদিকবৃন্দ
Subscribe
Close

Search

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘হাইব্রিডের দাপটে বিএনপিতে কোণঠাসা ত্যাগীরা’

By ভোরের কণ্ঠ
April 18, 2026 3 Min Read
0

গত ১৭ বছরে যেসব বিএনপি নেতাকর্মী নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের যথার্থভাবে মূল্যায়ন হচ্ছে না। হয়তো হবেও না। তার কারণ হাইব্রিডে বিএনপি এখন জমে গেছে। তাই ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়নে বয়সের বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দিয়ে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসনে নিয়োগ দিতে হবে।’

শনিবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল রিসার্চ সেল (এনআরসি) আয়োজিত ‘বর্তমান সরকারের দুই মাসের সফলতা, ব্যর্থতা, চ্যালেঞ্জ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আশুকরণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের যথার্থভাবে মূল্যায়ন না হওয়ায় আমি শঙ্কিত। কারণ বিএনপি এখন হাইব্রিডে ভরা। বিগত সময়েও নেতাদের সামনে অনেকে নানা তোষণমূলক স্লোগান দিত। অতীতে যাদের ত্যাগ তিতিক্ষা রয়েছে, জেল খেটেছে ও অত্যাচার-নিপীড়ন সহ্য করেছে সেসব নিবেদিত কর্মীদের মূল্যায়ন না হলে আমাদের আরও দুঃখ ও কষ্ট পেতে হবে। সেজন্য বিভিন্নভাবে আমাদের কথাও বলতে হবে।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন এনআরসির ড. গাজী মিজানুর রহমান, মো. শরীফ হোসেন, ড. শামসুদ্দোহা, জাকির হোসেন শিশির, ফাতেমা তাসনিম, অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা তৃণমূলকে সামাল দিতে পারছে না উল্লেখ করে অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, দখলবাজ, চাঁদাবাজ, ধান্দাবাজ ও ডাণ্ডাবাজ- এই বাজদের কারণে বিএনপি সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি শুধুমাত্র কোনো চরএলাকা বা আমার গ্রামের উদাহরণ নয়, এটি সর্বত্র।

ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা আওয়ামী লীগের লোক নই। আওয়ামী লীগ যা করেছে, তা আমরা করব না। নিয়ম-নীতি, আইন-কানুন, শৃঙ্খলার মাধ্যমে আমাদের কাজ করতে হবে। এরশাদ আমলে আপনাদের মনে আছে- একটা স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষা হয়েছিল। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত বয়সসীমা ছিল। আপনারা সবাই একটা স্পেশাল বিসিএসের দাবি জানাবেন। যে স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে ত্যাগী, নিপীড়িত-নির্যাতিত কর্মীরা যাতে প্রশাসনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সে ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের দুই মাসের সময়সীমা কোনো সফলতা বা ব্যর্থতার নিয়ামক নয়। তবে আমরা বলি যে ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। সকালবেলা সূর্য দেখেই তো বোঝা যায় যে দিনটি কেমন যাবে। তেমনি জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ আমরা দেখতে পাই তারেক রহমানের মাধ্যমে। আশা করছি তার এই নেতৃত্বে দেশ উচ্চ আসনে পৌঁছবে। বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে আদর্শ এবং উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপি সরকার অনেক অনেক দিন ক্ষমতায় থাকবে। এর অর্থ এই নয় যে, আমরা ২০ বছর সময় বেঁধে দেব। কেয়ামত পর্যন্ত!

সাবেক উপাচার্য আরও বলেন, আমি আগেও অসংখ্যবার বলেছি আওয়ামী লীগ দরকার হলে কেয়ামত তক ক্ষমতায় থাকুক। কিন্তু গণতন্ত্রের মাধ্যমে, ভোটের মাধ্যমে থাকতে হবে। জিয়াউর রহমানের বিএনপিকে আমরা উসকে দেব না স্বৈরাচার হওয়ার জন্য। তাদের আইনের মাধ্যমে, নিয়মতান্ত্রিকতার মাধ্যমে, ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকতে হবে।

৫ আগস্টের পর বিএনপি ঈর্ষণীয় জনসমর্থনের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক আব্দুল লতিফ বলেন, তখন তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হলে বিএনপি ২৯৭ আসনে জয়লাভ করত। এতটাই অসম্ভব ও নিরঙ্কুশ ছিল বিএনপির জনপ্রিয়তা। পরবর্তীকালে বিএনপির কিছু লোকের লুটপাট আমাদের মনে আছে। আমাদের জনচরিত্রের একটি অংশ হচ্ছে লুটপাট, মিথ্যাচার, অনাচার ও অন্যায়। এটা করায় বিএনপির জনপ্রিয়তা কমেছে এবং যখন জামায়াত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে, তখন লিডারশিপ ও এমপি সিলেকশনের ব্যাপারে বিএনপিকে সেকেন্ড থট দিতে হয়েছে।

এই অধ্যাপক বলেন, মনে রাখতে হবে বিরোধী দল রাজনৈতিকভাবে বিরোধী শক্তি, শত্রু শক্তি নয়। ‘উই আর লুকিং ফর শত্রুজ’-এ রকম না। শত্রুতা নয়, মিত্রতা হচ্ছে আমাদের নীতি। আমাদের মনে রাখতে হবে জিয়াউর রহমান হচ্ছেন আমাদের মডেল। আমাদের আদর্শ। আমাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হলো জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বাস্তবায়ন করা। জিয়াউর রহমান এ দেশে একটি বিরল উদাহরণ উপস্থাপন করেছেন, তা হলো জাতীয় ঐক্য। জাতীয় ঐক্য বাম-ডান দেখেননি। কে জামায়াত, কে মুসলিম লীগ, কে ন্যাপ, কে ভাসানী- তিনি তা দেখেননি। তিনি ভালো মানুষের খোঁজ করেছেন।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির বড় একটি দুর্বলতা হচ্ছে- বুদ্ধিবৃত্তিক অনুশীলন না করা। আপনি আওয়ামী বা বাম ঘরানার শত শত বুদ্ধিজীবীর নাম বলতে পারবেন। কিন্তু আমাদের জাতীয়তাবাদী ঘরানায় বুদ্ধিবৃত্তিক লোকজনের আকাল রয়েছে। এ অবস্থায় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সবার কন্ট্রিবিউশন আশা করছি।

Author

ভোরের কণ্ঠ

সম্পাদক ও প্রকাশক : মাস্টার আরাফাত চৌধুরী (বিএসসি) হেড অফিস : চকরিয়া সমবায় সমিতি মার্কেট (৩য় তলা) প্রধান সড়ক, চকরিয়া, কক্সবাজার। মোবাইল নম্বর :০১৯২১১৭৪৫৭৯

Follow Me
Other Articles
Previous

দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা

Next

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে মহাপরিচালক শার্মিন

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *