শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক ও হেলপার নিহত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা লামায় সার্ভেয়ার মোঃ আতিকুর রহমান এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ চকরিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় মহানবমীতে চকরিয়া হরি মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যোগে স্কুল ও মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য লক্ষাধিক টাকা সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ব্যবহৃত মেশিন জব্দ ও ধ্বংস চকরিয়ায় মিথ্যা মামলা থেকে জামিন পেলেন কলেজ শিক্ষার্থী আরমান,আদালতে প্রতারণা মামলা

সরকারি দর ১৪৪০ টাকা, তবু কৃষকের ধান বিক্রি ৬০০ টাকায়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জে সরকারিভাবে প্রতি মণ ধান এক হাজার ৪৪০ টাকা দরে সংগ্রহ শুরু হলেও এর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ কৃষক। অতিবৃষ্টি, উজানের ঢল এবং রোদের অভাবে ধান শুকাতে না পেরে অনেক প্রান্তিক কৃষক মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাওরাঞ্চলের কৃষকদের অভিযোগ, একদিকে বৈরী আবহাওয়া, অন্যদিকে শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের চাপ—সব মিলিয়ে পানির দরে ধান বিক্রি করে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।

জানা গেছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক কষ্ট করে কিছু ধান কাটতে পারলেও নতুন সংকট দেখা দিয়েছে শুকানো নিয়ে। কয়েকদিন ধরে রোদ না থাকায় খলায় রাখা ভেজা ধানে চারা গজিয়ে যাচ্ছে। এতে ধানের রঙ ও মান নষ্ট হয়ে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

কৃষকদের ভাষ্য, ধান কাটার শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার মতো নগদ অর্থ তাদের হাতে নেই। তাই বাধ্য হয়ে ভেজা ধান বাজারে তুলছেন। এই সুযোগে স্থানীয় পাইকার ও একটি সিন্ডিকেট চক্র কম দামে ধান কিনে নিচ্ছে। সরকারি দামের অর্ধেকেরও কম দামে ধান বিক্রি করতে হওয়ায় উৎপাদন খরচও উঠছে না বলে অভিযোগ তাদের।

এদিকে রোববার (৩ মে) থেকে সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলায় সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে খাদ্য বিভাগ। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কর্মকর্তা বি.এম মুশফিকুর রহমান জানান, এ বছর জেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২১ হাজার ৩৪৯ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রতি মণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৪৪০ টাকা।

তবে কৃষকদের দাবি, সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রমে যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী প্রবেশ করতে না পারে এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকেই সরাসরি ধান কেনা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই উদ্যোগে সাধারণ কৃষক কোনো উপকার পাবেন না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews