শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
১৫ বছর আগে ব্যবসায়ীকে হত্যা: দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন চকরিয়া হারবাং ও কাকারায় বন্যার্তদের পাশে জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুক, কাপড়-খাদ্য বিতরণ ও কিডনি রোগীর পাশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রাহানে মহেশখালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ বাকস্বাধীনতার নামে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী চট্টগ্রামে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বন্যা বিরতির পর চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, বহিষ্কার ১, অনুপস্থিতি ১ হাজার ৮২৫ চকরিয়ায় মানাল চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন সাড়ে ৩শ মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এশিয়ান আবাসিক স্কুলে আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন রামুতে সিএনজি-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, দুই বোনসহ নিহত ৩

১৫ বছর আগে ব্যবসায়ীকে হত্যা: দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

১৫ বছর আগে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার থানাধীন শ্যামবাজারের কাঁচামালের ব্যবসায়ী মো. চুন্নু মিয়াকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মামুন ও বাবু ওরফে বাঘা বাবু।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার আগে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন এই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। এছাড়াও ছিনতাইয়ের দায়ে তাদের আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কাঁচা মাল কেনার জন্য যাত্রাবাড়ী আড়তে যান। সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশ্য রওনা হন। ভোর ৫ টার দিকে গেন্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকায়। তারা তার কাছে টাকা টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। চুন্নু মিয়া আসামিদের পরিচিত মর্মে জানায়। একথা শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেন্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আসামি সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন গেন্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। একই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। বিচার চলাকালে আসামি সজিব মৃত্যু বরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয় আদালত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews