1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদগাঁওতে বাস-কার্ভারভ্যান সংঘর্ষ, চালক নিহত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের দুঃসংবাদ দিলো ফেসবুক   ইসলামপুর পশ্চিম খাঁনঘোনা সড়কের বেহাল দশা, জলাবদ্ধতা সমস্যায় জর্জরিত ঈদগাঁওতে লুৎফর রহমান কাজল এমপির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প বরাদ্দ ইসলামাবাদে পেঁপে গাছ কাটল দুর্বৃত্তরা, ব্যাপক ক্ষতি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল আরও ২৬ হাজার টন অকটেন শিক্ষায় অবদানে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন ঈদগাঁওর খুরশীদুল জন্নাত ১৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের মিছিলের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশের পর গ্রেপ্তার ৩

চকরিয়া দোলনায় ওড়না পেঁচিয়ে শিশুর মৃত্যু

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

চকরিয়ায় বাড়ির উঠানে দোলনায় খেলতে গিয়ে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আকরিদা জন্নাত আইরিন (১০) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গয়ালমারা তেইল্যারবিল এলাকায় হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত আকরিদা জন্নাত স্থানীয় গয়ালমারা ইবতেদায়ী দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। সে প্রবাসী জিয়া উদ্দিন ও জেসমিন আক্তার দম্পতির মেয়ে। পরিবারের স্বপ্ন ছিল মেয়েটিকে লেখাপড়া করিয়ে বড় মানুষ বানানোর। কিন্তু একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই নিভে গেল সেই স্বপ্নের প্রদীপ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালেও আকরিদা জন্নাত মাদ্রাসায় যায়। মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে বাড়ির দক্ষিণ পাশের উঠানে দোলনায় খেলছিল। এ সময় দোলনার উপরে থাকা একটি ওড়না অসাবধানতাবশত তার গলায় পেঁচিয়ে যায়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়ে শিশুটি।

তার সঙ্গে থাকা ভাশুরের মেয়ে মুক্তা জন্নাত (৯) বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হারবাং আজিজনগর ১ম গেইট এলাকায় অবস্থিত আজিজনগর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির মরদেহ বাড়িতে আনার পর এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ। মেয়ের নিথর দেহ দেখে মা জেসমিন আক্তারের আহাজারিতে উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রবাসে থাকা বাবা জিয়া উদ্দিনের কাছেও খবর পৌঁছালে তিনিও গভীর শোকে ভেঙে পড়েন।

স্থানীয়রা জানান, আইরিন অত্যন্ত শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের একটি মেয়ে ছিল। পড়ালেখায় মনোযোগী এই শিশুটি সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলত। তার এমন অকাল মৃত্যু কেউ সহজে মেনে নিতে পারছেন না।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হারবাং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিউল আলম। তিনি বলেন, এটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শিশুটির মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দোলনায় খেলতে গিয়ে ওড়না পেঁচিয়ে শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে ফাঁড়ি পুলিশের এসআই মোফাজ্জল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন। শিশুটির পরিবারের দাবি এটি একটি দুর্ঘটনা। তাই থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।###

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট