1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে রুম টু রিড বাংলাদেশের উদ্যোগে জেন্ডারভিত্তিক জীবনদক্ষতা শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন এটা শাহবাগ নয়, এটা পার্লামেন্ট— হাসনাতকে স্পিকার আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিককে উদ্ধার করল পাকিস্তানের নৌবাহিনী মাতামুহুরীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পাকিস্তান পৌঁছেছে ইরানের প্রতিনিধি দল প্রাইভেটকারের তেলের ট্যাংকে ৪২ হাজার ইয়াবা, টেকনাফে আটক ৩ চকরিয়ায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ: প্রশাসন লামা সদর ইউনিয়নে মেম্বার পদে প্রার্থী শামশুল হকক ঈদগাঁওতে প্রশাসনের অভিযানে পলিথিন জব্দ  ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফান রান প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত 

বরিশাল অঞ্চলে নতুন পোস্টিং চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া

আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বন অধিদফতরকে ঘিরে রেখে দীর্ঘ বছর ধরে লাগামহীন দুর্নীতিতে জড়িত কতিপয় সিন্ডিকেট বনকর্মকর্তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিমকে বদলী করা হয়েছে। বন অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশ তাকে বরিশাল অঞ্চলের বন সংরক্ষক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তাঁরস্থলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মিহির কুমার দো’কে নতুন বন সংরক্ষক হিসেবে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে।

বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের বন সংরক্ষকের কার্যালয়
মিলনায়তনে বিদায়ী বন সংরক্ষক ড.মোল্লা রেজাউল করিমকে এক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিম বন প্রশাসনে ২৬ বছরের কর্মকালীন চাকুরির জীবনের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলে যোগদানের পর থেকে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের দাপটশালী সেই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়েছেন। বিভিন্ন দপ্তরে ঘাপটি মেরে থাকা দোসরদের অনিয়ম অসঙ্গতি ও অপকর্মের শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু তার এসব ভাল কাজের কারণে সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য মিলে ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট এবং সাংবাদিকদের কাছে বিভিন্ন অপতথ্য সরবরাহ করে তার মানহানি করেছেন। এসব বিষয়কে তিনি তোয়াক্কা না করে সরকারি অর্পিত দায়িত্ব পালনে তাঁর নীতিতে অটল ছিলেন।

বক্তারা বলেন, আওয়ামী সরকারের দোসরদের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে বৈষম্যহীন চট্রগ্রাম অঞ্চলের বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ কঠোর হস্তে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারকারী কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের পিছু নিয়েছিল ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিম । ওই স্বার্থান্বেষী মহল বিগত একবছরের অধিক সময় ধরে তাঁর বিরুদ্ধে নানা চক্রান্ত করেছে। কিন্তু ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিম এসব তোয়াক্ক করেনি। ওইসব স্বার্থান্বেষী কর্মকর্তারা বন অধিদপ্তরের কতিপয় নীতি নির্ধারক দ্বারা পরিচালিত এবং বন অধিদপ্তরের নীতি নির্ধারকগণের কয়েকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদদাতা। আর এই চক্রান্তে স্বৈরাচারের দোসর একজন প্রভাবশালী নীতি নির্ধারক সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বক্তারা।

বনবিভাগের দায়িত্বশীল বিভিন্ন কর্মকর্তা বিদায় অনুষ্ঠানে আরও বলেন, মূলত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু চিহৃিত দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পুনরায় লোভনীয় পোস্টিংয়ে বসানোর জন্য মোল্যা রেজাউল করিমকে, বদলি করা হয়েছে। এসবের পিছনে কলকাড়ি নেড়েছেন ফ্যাসিষ্টের দোসর কতিপয় উচ্চপদস্থ দূর্নিতিবাজ কর্মকর্তা।

আর মোল্ল্যা রেজাউল করিম স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ায় বদলী বানিজ্যের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার করা হয়েছে। এমনকি নিজেদের ১৭ বছরের লুটপাট ও দুর্নীতির কাহিনি ধামাচাপা দিতে উল্টো পরিকল্পিত ভাবে ডক্টর মোল্লা রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুদকে
মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। যার কোন সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।

বনবিভাগের দায়িত্বশীল বিভিন্ন কর্মকর্তারা বলছেন, ডক্টর মোল্লা রেজাউল করিম চট্টগ্রাম বন সার্কেলে
যোগদানের পর বন বিভাগসমুহে বন অপরাধ দমন, বনভূমি দখল হ্রাসও উপকূলীয় বন রক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন।

বিদায় বেলায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড.
মোল্ল্যা রেজাউল করিম বলেন, কর্মজীবনে মাত্র ১৭ মাস চট্টগ্রাম অঞ্চলে ছিলাম। চেষ্টা করেছি, সততা নিষ্ঠার সঙ্গে সরকারি অর্পিত দায়িত্ব পালন করে দীর্ঘ সময় ধরে জঞ্জালে নিমজ্জিত একটি বন সার্কেলকে অনিয়ম অসঙ্গতি ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে। বেদখল হয়ে পড়া হাজার হাজার একর সরকারি বনভূমি উদ্ধারে। সেই ভালো কাজে আমার পাশে যাঁরা ছিলেন সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সরকারি চাকুরী অবশ্যই বদলী হবে। এখানে কোন রাগ-ক্ষোভ নেই। পরিশেষে আমি কর্মকালীন সময়ের সকল ভালো কাজের প্রশংসা সহকর্মী সবাইকে দিলাম, আর অসঙ্গতিপূর্ণ কাজের সব দায়ভার আমি মাথা পেতে নিলাম। ##

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট