সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম দেওরগাছ গ্রামের শিক্ষক শাহেদ মিয়ার বাড়ি থেকে বানরটি উদ্ধার করেন সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, রবিবার রাতে পাশের বনাঞ্চল থেকে বানরটি শাহেদ মিয়ার সামাজিক বনায়ন এলাকায় ঢুকে পড়ে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম দেওরগাছ গ্রামের শিক্ষক শাহেদ মিয়ার বাড়ি থেকে বানরটি উদ্ধার করেন সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, রবিবার রাতে পাশের বনাঞ্চল থেকে বানরটি শাহেদ মিয়ার সামাজিক বনায়ন এলাকায় ঢুকে পড়ে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, উদ্ধার হওয়া প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ লজ্জাবতী বানরটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই এবং এটি সুস্থ রয়েছে। সোমবার বিকেলেই এটিকে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হবে।
বন্য প্রাণী সংরক্ষণ সোসাইটি (ডব্লিউসিএস)-এর সমন্বয়কারী সামিউল মোহসেনিন বলেন, লজ্জাবতী বানর (Nycticebus bengalensis) লরিসিডি পরিবারের ছোট আকারের নিশাচর প্রাণী।
তিনি আরো জানান, আবাসস্থল ধ্বংস ও অবৈধ পাচারের কারণে এ প্রজাতির প্রাণীটি বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে।
এদিকে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে মানুষের অবাধ চলাচল লজ্জাবতী বানরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও প্রজননে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। ফলে তারা লোকালয়ে চলে আসছে। পর্যটকদের নির্ধারিত ট্রেইলের মধ্যে চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।