1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এবার বিস্ফোরণে কাঁপলো ইরাক চকরিয়ায় মেয়র পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ঝড় তুলেছেন লন্ডন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি জামাল চৌধুরী বাউবি বিএড শিক্ষার্থীদের কক্সবাজার পিটিআই স্টাডি সেন্টারে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১ রমজান পর্যন্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণ আগাম মুকুলে হাসি ফুটেছে বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারে কৃষকদের চকরিয়ায় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন দোয়া চেয়েছে চকরিয়ায় বসতঘর জবর দখলের চেষ্টা, মা-মেয়ে আহত চকরিয়ায় প্রশাসনের বাজার মনিটরিং, ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা রুম টু রিড বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে কক্সবাজার এর রামু ও সদর উপজেলায় কর্মসূচি অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক পুত্র শাবাব ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনায় পুতিনের হুঁশিয়ারি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বলেছেন, ইউক্রেনে যেকোনো পশ্চিমা সেনা রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ২৬টি দেশ ইউক্রেনকে যুদ্ধোত্তর নিরাপত্তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

 

ম্যাক্রোঁ জানান, ইউরোপীয় নেতারা এবং জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা চূড়ান্ত হবে।
 
ফরাসির প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইউক্রেনে তাদের সামরিক অভিযানের অন্যতম কারণ হলো কিয়েভকে ন্যাটোর সদস্য করা এবং ইউক্রেনে ন্যাটো বাহিনী মোতায়েনে বাধা দেয়া।
 
ভ্লাদিভোস্টকে এক অর্থনৈতিক ফোরামে পুতিন বলেন, ‘যদি কিছু সেনা সেখানে (ইউক্রেনে) উপস্থিত হয়, বিশেষ করে এখন, এই সামরিক অভিযানের সময়, তাহলে আমরা জানাচ্ছি যে সেগুলো হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।
 
তিনি আরও বলেন, ‘এবং যদি এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যা শান্তির দিকে, দীর্ঘমেয়াদী শান্তির দিকে পরিচালিত করে, তাহলে আমি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে তাদের উপস্থিতির কোনো অর্থ দেখতে পাচ্ছি না।’ 
আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট