1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন

লামায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বিপাকে কৃষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান, বান্দরবান প্রতিনিধি।।

বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না পাওয়ায় উপজেলার একমাত্র ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে কৃষিকাজসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।জানা যায়, লামা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মেসার্স মীম ফিলিং স্টেশনটি শুধু লামা উপজেলাই নয়, পার্শ্ববর্তী আলীকদম উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার যানবাহন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি তেল সরবরাহ করে থাকে। এ স্টেশন থেকেই লামা উপজেলা পরিষদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়, সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল), লামা থানা, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিজিবি ক্যাম্প, তথ্য অফিস এবং লামা পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করা হয়।ফিলিং স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি তেলের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। যেখানে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল প্রয়োজন, সেখানে মাত্র এক হাজার লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে অকটেন ও পেট্রোলের কোনো বরাদ্দই রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।মেসার্স মীম ফিলিং স্টেশনের মালিক আইয়ুব আলী বলেন, “আমাদের দৈনিক কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল প্রয়োজন। কিন্তু কোম্পানি থেকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র এক হাজার লিটার। এতে করে উপজেলার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।”এদিকে তেলের সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বর্তমানে বোরো মৌসুম চলমান থাকায় জমিতে সেচ দিতে ডিজেলের প্রয়োজন হলেও পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় অনেক কৃষক সমস্যায় পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, একটি জমিতে সেচ দিতে প্রায় ৪০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় অনেক জমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। এতে জমি অনাবাদি হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, তেলের সংকটের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেবা কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তেলের সংকট নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, লামা উপজেলার কৃষি, পরিবহন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত জ্বালানি তেলের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা জরুরি। অন্যথায় চলমান এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট