1. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  2. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  3. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশপুরে বিধবাকে কোমল পানির সাথে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ঈদগাঁও অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন  চকরিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব সহকারী নিহত চকরিয়ায় কৃষি জমি কেটে টপসয়েল লুট মাটিখেকো চক্রকে দুই লাখ টাকা জরিমানা পোস্টাল ব্যালটে ” ধানের শীষ ” প্রতিক নিয়ে ইসির ব্যাখ্যা সালাহউদ্দিন আহমদকে গণঅধিকার প্রার্থীর সমর্থন, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা চকরিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ এক নারী গ্রেফতার মরহুম প্রবীণ সাংবাদিক এসএম হান্নান শাহ ‘র পরিবারের পাশে চকরিয়ার ইউএনও চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ জুলাইযোদ্ধার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেকুয়া উপজেলা জামায়াত আমীরের পিতার জানাযায় -সালাহউদ্দিন মায়ের মৃত্যূর ৯ দিন পর পিতার মৃত্যু

বন্দর বিদেশিদের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে গলার কাঁটা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ১২ দলীয় জোটের নেতারা।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রামসহ দেশের সব বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

নেতারা বলেন, অস্বাভাবিক দ্রুততায় বিদেশি কম্পানির নিকট কনটেইনার টার্মিনাল তুলে দেওয়া দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে ও এটি জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।

তারা বলেন, বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

বিদেশিদের হাতে টার্মিনাল পোর্ট ও বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্ন যুক্ত আছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রের নীতির নির্ধারণী বিষয়ে এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না। বিগত স্বৈরাচারী সরকার দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশকে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এহেন কর্মকাণ্ডই অতীতকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
দেশের জনগণ, জনমত ও জন আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যেকোনো কার্যক্রম জনরোষের মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর করবে।

 

নেতারা আরো বলেন, গভীর পরিতাপের বিষয় যে, বর্তমানে অন্তবর্তী সরকারও বিগত স্বৈরাচারী সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

নেতারা অনতিবিলম্বে এই সরকারকে দেশবিরোধী চুক্তি তথা বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত থেকে বিরত থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান। অন্যথায় ১২ দলীয় জোট দেশের আপামর জনগণকে সঙ্গে দেশ বিক্রি চুক্তির বিরুদ্ধে দুর্বার গণ-আন্দোলন গড়ে তুলবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন ও নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট