1. qujmpy1til@scrap-transport-musical-hospital-brainstorm.com : jazeSGCP :
  2. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  3. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  4. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় মহিষের দই বিক্রেতা, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রশিক্ষন কর্মশালা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ইলিশিয়ার প্রষিদ্ধ মহিষের দইয়ের খ্যাতি দেশজুড়ে সমাদৃত।

এই এলাকার মহিষের দই দেশে ছাড়িয়ে বিদেশে পাঠানো হয়। প্রিয়জন বা আত্মীয়স্বজনদের উপহার হিসেবে দেয়া হয় মহিষের দই। অনেকে আবার কাজের সুফল পেতে উপটোকন হিসেবেও মহিষের দই উপহার দেন সংশ্লিষ্টদের।
এমন পরিস্থিতিতে উপজেলার উপকূলীয় জনপদ ইলিশিয়ার মহিষের দইয়ের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন বেড়েছে ব্যবসায়ীর সংখ্যাও। তবে অভিযোগ উঠেছে, চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে পুঁজি করে ইদানীং
কিছু কিছু ববসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় মহিষের দই বিক্রিতে ভেজালের আশ্রয় নিয়ে ভোক্তা সাধারণের সাথে প্রতারণা করছে।

মহিষের দইয়ের নেতিবাচক এসব বিবেচনায় নিয়ে সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা এলাকার দই বিক্রেতার নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কক্সবাজার জেলা।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ মোঃ জায়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো.আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা শুভ্র দাশ।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি মহিষের দই তৈরীতে দূধ আহরণ থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং ভোক্তাদের কাছে পৌছে দেয়ার বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন। এছাড়াও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ, স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতি অবলম্বন করার বিষয়ে গুরুত্বারুপ করেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের মাতামুহুরী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন বদরখালী, সাহারবিল, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা, কোণাখালী, ঢেমুশিয়া, বিএমচর ইউনিয়নে পারিবারিক এবং খামারের মাধ্যমে মহিষ চাষ করে থাকে। এছাড়াও উপজলোর সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের অল্প কিছু মহিষ লালন-পালন করেন। এসব মহিষ থেকে দুধ সংগ্রহ করে দই প্রক্রিয়াজাত করে থাকেন চাষিরা। পরবর্তীতে ভোক্তাদের মাঝে বিক্রি করেন। চকরিয়ার প্রতিটি বাজাওে গেলেই মিলে মহিষের দই।

চকরিয়া উপজেলার প্রষিদ্ধ মহিষের দই দেশের গন্ডি ফেরিয়ে বিদেশেও নিয়ে যায়। এতদঞ্চলে বিয়ে, সামাজিক অনুষ্টান, কারো বাড়িতে বেড়াতে গেলেও অন্যান্য নাস্তার মাঝেও মহিষের দই অবশ্যই লাগবেই। মহিষের দই না হলে যেন চলেই না। এই এলাকার প্রতিটি পরিবারে ভাতের পাশাপাশি মহিষের দই অবশ্যই লাগেই।
তাই মহিষের দইয়ের চাহিদা, বাজারজাতসহ নানা বিষয়ে অনিয়ম যাতে না হয়, সে লক্ষে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেন। যাতে মিহষের দইয়ের বাজারজাত, প্রক্রিয়াজাত ও ভোক্তা পর্যায়ে যাতে অনিয়ম ও অসাধু উপায় অবলম্বন না করে সেজন্য চাষি ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে চলে দিনব্যপাী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

চকরিয়ার লালব্রীজ এলাকার মহিষের দই ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মহিষের দইয়ের জন্য এই এলাকা বেশ প্রষিদ্ধ। আমরা নিজেরা মহিষ পালন করি। এসব মহিষ থেকে দুধ সংগ্রহ করে ভোক্তাদের বিক্রি করি। তবে, আজকের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসে মহিষের দই সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি। আমরা নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক মহিষের দই বিক্রিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সতেষ্ট থাকবো।

এই দিনব্যাপী কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া পৌরসভা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মো.হায়দার আলী, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর কক্সবাজারের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মহিষের চাষিসহ প্রমুখ।###

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট