
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে এক ব্যক্তির বসতঘর জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে একদল ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে। এদের হামলায় আহত হয়েছেন বাড়িতে থাকা মা-মেয়ে। এসময় লুটপাট করে নিয়ে গেছে বাড়ির নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিস পত্র।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারী মগরিবের নামাজের পর এ হামলার ঘটনায় ঘটে।
আহতরা হলেন, ওই এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী মর্জিনা বেগম(৪৫) ও মেয়ে হুজাইফা তহমিন (১৮)।
আহত মর্জিনা বেগম থানায় করা অভিযোগে জানা গেছে, ওই এলাকার করিম উল্লাহর পুত্র ভূমিদস্যু ফরিদুল আলমের কাছ থেকে কিছু জায়গা বিগত ৩০ বছর আগে ক্রয় করে বসতঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছিল।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে লোকমান হাকিমের পুত্র আনোয়ার হোসেন, তার পুত্র রবিউল হাসান বিন আনোয়ার নিজেকে জামায়াতের নেতা দাবি করে ওই জায়গা তাদের দরকার বলে দাবি করে। তাদের দাবি না মানার কারণে আনোয়ার হোসেন ও তার পুত্ররা মিলে মর্জিনার স্বামীর অনুপস্থিতে জায়গা টি দখলে নিতে একটি নামসর্বস্ব হাসপাতালের নাম দিয়ে একটি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়।
ফলে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বসতঘর রক্ষায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ২৮ তারিখ ১৬০৮ একটি সাধারণ ডায়েরী লিপিবদ্ধ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় আনোয়ার হোসেন, ফরিদুল আলম ও আনোয়ার হোসেনের পুত্ররা মিলে পুনরায় বসতঘর জবর দখলের চেষ্টা করে। এতে বাঁধা দেওয়ায় গৃহকর্মী মর্জিনা ও তার মেয়ে হুজাইফা তাছমিনকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এসময় বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এমনকি বাড়ির ব্যবহারের টিউবওয়েল ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেয়।
এ ব্যাপারে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে আনোয়ার হোসেনকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ৪/৫ জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করে।
উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মনির হোসেন বিষয় টি তদন্ত পূর্বক আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণে একজন এএসআই কে তদন্ত দেন।
অভিযোগকারী জানায়, চকরিয়া থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।##