বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চকরিয়া ছাত্রদলের মিছিল-সমাবেশ তেল দে, গ্যাস দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে’ স্লোগানে জামায়াতের বিক্ষোভ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আসবে মহানগর এক্সপ্রেস সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যু রামিসার মতো অপ্রতিম হত্যারও দ্রুত বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মোঃ বাতেন চীনের ইয়ানশান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ থেকে ইয়ানশান : এক বছরের একাডেমিক অগ্রযাত্রা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গল্প তাবুক যুদ্ধে নবীজির নামাজ আদায়ের স্থানগুলো নায়িকা দীঘির দিন শেষ, বললেন শাহরিয়ার নাজিম জয়

১৫ বছর আগে ব্যবসায়ীকে হত্যা: দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

১৫ বছর আগে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার থানাধীন শ্যামবাজারের কাঁচামালের ব্যবসায়ী মো. চুন্নু মিয়াকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মামুন ও বাবু ওরফে বাঘা বাবু।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার আগে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন এই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। এছাড়াও ছিনতাইয়ের দায়ে তাদের আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কাঁচা মাল কেনার জন্য যাত্রাবাড়ী আড়তে যান। সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশ্য রওনা হন। ভোর ৫ টার দিকে গেন্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকায়। তারা তার কাছে টাকা টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। চুন্নু মিয়া আসামিদের পরিচিত মর্মে জানায়। একথা শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেন্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আসামি সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন গেন্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। একই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। বিচার চলাকালে আসামি সজিব মৃত্যু বরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয় আদালত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews