বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়া শাহ ওমর পাহাড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (smc) কমিটি গঠিত শহীদ আহসান হাবিবের পরিবারের পাশে জুলাই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, কবর জিয়ারত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় বন্যার গ্রাসে পেঁপে বাগান, কৃষকের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি স্পেনে ষাঁড় দৌড়ে অংশ নিয়ে বিপত্তিতে ৬০ জন উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সতর্কতা জারি মাতামুহুরির পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ চকরিয়ায় স্কুলের প্রধান শিক্ষককে মারধর করে ৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ চকরিয়ায় ত্রাণ নিয়ে বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন চকরিয়া পৌরসভায় বন্যার্তদের মাঝে বিএনপি নেতা শামীম ও জয়নাল আবেদীনের ত্রাণ বিতরণ চকরিয়ায় ত্রাণ নিয়ে বন্যার্তদের পাশে জামায়াত ইসলামী

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঈদগাঁওর কামার পল্লীতে কর্মব্যস্ততা 

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কুরবানের ঈদ। এটিকে সামনে রেখে ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাহিদা বেড়েছে পশু জবাই এবং মাংস কাটার সরঞ্জামের। এটির চাহিদা পূরণে ব্যস্ততা বেড়েছে নানা কামারের দোকানগুলোতে। আধুনিক যন্ত্রাংশে প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চলছে। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করেছেন কামার সম্প্রদায়।

কামার কারিগররা জানান, বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম বেশি। তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। কয়টা দিন পরই মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হবে। তাই এ উৎসবকে ঘিরে কামারদের কর্মব্যস্ততা বাড়লো অনেক। কাজের চাপে যেন দম ফেলার সুযোগও নেই টুংটাং শব্দে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজেকর্মে মগ্ন কামারেরা। তাদের ব্যস্ততা ঈদুল আজহার দিন সকাল পর্যন্ত থাকে।

ঈদগাঁও বাজারের ইউপি পরিষদ সংলগ্ন কামার পল্লী, বংকিম বাজারসহ নানা স্থানে গিয়ে দেখা যায়, লোহার তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম বানাচ্ছেন কামারেরা। এই লোহা কিনে এনে তৈরি করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।এক কামার জানান,সারা বছরের মধ্যে কুরবানি ঈদেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। লোহা এবং কয়লার দাম বেশি তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। বছরজুড়ে কুরবানের এ সময়ের অপেক্ষায় থাকি

আরেক জনের মতে, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারাদিন আগুনের পাশে বসে থেকে কাজ করতে হয়,ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। কামার পল্লী এলাকার এক বিক্রেতা জানান, নতুন দা বিক্রি করে থাকি ৫শ / ৬শত টাকা,ছুরি ছোট বড়, মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। আবার বটি, দা ও ছুরি শান দিতে আসলে তা দেখে টাকা নেয়া হয়।

লোহা শিল্পের দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধি,দিন দিন নিত্যপণ্য সামগ্রী ক্রয় দাম বৃদ্ধি,ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা, সাংসারিক ঘানি টানতে চরম বিপাকে পড়েছেন কামারেরা। এমন মন্তব্য সচেতম মহলের।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews