শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক ও হেলপার নিহত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা লামায় সার্ভেয়ার মোঃ আতিকুর রহমান এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ চকরিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় মহানবমীতে চকরিয়া হরি মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যোগে স্কুল ও মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য লক্ষাধিক টাকা সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ব্যবহৃত মেশিন জব্দ ও ধ্বংস চকরিয়ায় মিথ্যা মামলা থেকে জামিন পেলেন কলেজ শিক্ষার্থী আরমান,আদালতে প্রতারণা মামলা

পাচারকালে ১টি হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ আটক ১

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাচারের সময় বিলুপ্তপ্রায় একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ মো. হাদিস রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বন বিভাগ।

সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমুখ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে আটক করে।

আটক হাদিস রহমান ঢাকার মিরপুর-১১ এলাকার রোড নম্বর-৩, কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান মিয়ার ছেলে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চকরিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি বন্যপ্রাণী মজুত রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হাদিস রহমানকে আটক করা হয়।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুনতি বন্যপ্রাণী ও অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews