মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় শিশু সুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মুখোমুখি সংলাপ মাতামুহুরীতে খরিদকৃত ও ওয়ারিশী জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ত্বকের যত্নে ঘরেই বানান ৫ সহজ ফেসপ্যাক চাকরির প্রলোভনে ৩ শ্রমিক অপহরণ! ৩ লাখ টাকা দিয়েও মেলেনি সন্ধান ‘তমার জায়গায় পুরুষ অভিনেতা থাকলে বড় ভাই বলে তেল দিতেন’ মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ চকরিয়ায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ট্রাকে কেড়ে নিলো তানহার প্রাণ বান্দরবান জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

পাচারকালে ১টি হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ আটক ১

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাচারের সময় বিলুপ্তপ্রায় একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ মো. হাদিস রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বন বিভাগ।

সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমুখ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে আটক করে।

আটক হাদিস রহমান ঢাকার মিরপুর-১১ এলাকার রোড নম্বর-৩, কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান মিয়ার ছেলে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চকরিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি বন্যপ্রাণী মজুত রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হাদিস রহমানকে আটক করা হয়।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুনতি বন্যপ্রাণী ও অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews