মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় শিশু সুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মুখোমুখি সংলাপ মাতামুহুরীতে খরিদকৃত ও ওয়ারিশী জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ত্বকের যত্নে ঘরেই বানান ৫ সহজ ফেসপ্যাক চাকরির প্রলোভনে ৩ শ্রমিক অপহরণ! ৩ লাখ টাকা দিয়েও মেলেনি সন্ধান ‘তমার জায়গায় পুরুষ অভিনেতা থাকলে বড় ভাই বলে তেল দিতেন’ মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ চকরিয়ায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ট্রাকে কেড়ে নিলো তানহার প্রাণ বান্দরবান জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মাতামুহুরীতে খরিদকৃত ও ওয়ারিশী জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মরংঘোনা এলাকায় খরিদকৃত ও ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া ১০০ শতক জমির মধ্যে ৪০ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং জমির মালিক একই এলাকার নূরুল কবিরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বহদ্দারকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম গংয়ের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভেওলা মানিক চর মৌজার খতিয়ান নম্বর- ২৪, বিএস ২০৬১ দাগের ৩ দশমিক ৩৮ একর জমির মধ্য থেকে খরিদকৃত ও ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া মোট ১০০ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন নূরুল কবির গং।

নূরুল কবির গংয়ের দাবি, ১৯৯৫ সাল থেকে তারা ওই জমি ভোগদখলে রয়েছেন। তবে ২০২৪ সালের পর থেকে জাহাঙ্গীর আলম গং ওই জমিতে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভেওলা মানিক চর মৌজার উল্লিখিত দাগের জমিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বহদ্দারকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন,ভেওলা মানিকচর মৌজার ১৪৫৬ খতিয়ান মূলে ২০৫০ ও ২০৬১ দাগের ৬ দশমিক ৩৪ একর জমি দলিলমূলে সৃজিত করা আছে। এছাড়া জমিগুলো ফসলি নাল জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পরপরও আলমগীরের প্রাপ্ত জমি ৪০ শতক কম রয়েছে। এ জমি গুলো নুরুল কবিরের চাষাবাদের ভিতরে তারা চাষবাস করতেছে। তাদের দলিল থাকলেও খতিয়ান নাই। খতিয়ানের জন্য ভূমি অফিসে আবেদন করলেও ভূমি অফিস কোন লিখিত খতিয়ান বা দলিল দেয় নি এবং কোন জায়গায় দেখাতে পারে নাই।প্রকৃত জমির মালিক যারা তাদের জমি দখল করলে কোন আপত্তি নেই।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা ও দখলের বিষয়টি যাচাই করা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews