
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু চক্র গোপনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভোর ৬টায় সেখানে হঠাৎ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে প্রশাসনের উপস্থিতির খবর টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত চক্রটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে অবৈধভাবে বালু তোলার কাজে ব্যবহৃত মেশিনটি অকেজো করে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।পরবর্তীতে সাহারবিল ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ড সাহপোড়া নামক স্থানে বালু ব্যবসায়ী এর সেলো মেশিন ধ্বংস করে নদীতে ডুবানো হয়,চকরিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড বাটাখালি ব্রিজের দক্ষিণে নদীতে বসানো ১ টি সেলো মেশিন জব্দ এবং ধ্বংস করে নদীতে ডুবিয়ে দেয় ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চকরিয়া কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের জনৈক ফোরকান এই অবৈধ বালু উত্তোলনের মূল কারিগর এবং তিনি অভিযানের সময় পালিয়ে যান। নিয়মিত এভাবে বালু তোলায় নদীর তীর, সেতু ও সরকারি অবকাঠামো চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে ক্ষোভ জানান এলাকাবাসী। তারা বালু দস্যুদের রুখতে নিয়মিত কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম বলেন, সরকারি নদী ও জলাশয় থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল মনছুর ,ফোর্সসহ পুলিশ কর্মকর্তা,আনসার সদস্যগন এবং ভুমি অফিসের বিভিন্ন কর্মচারী ও কর্মকর্তারা।