1. marafatchowdhury62@gmail.com : ভোরের কণ্ঠ : ভোরের কণ্ঠ
  2. mdzahidlama@gmail.com : vorerkantho : vorerkantho
  3. info@www.vorerkantho.com : ভোরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশপুরে বিধবাকে কোমল পানির সাথে চেতনানাশক খাইয়ে ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ঈদগাঁও অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন  চকরিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব সহকারী নিহত চকরিয়ায় কৃষি জমি কেটে টপসয়েল লুট মাটিখেকো চক্রকে দুই লাখ টাকা জরিমানা পোস্টাল ব্যালটে ” ধানের শীষ ” প্রতিক নিয়ে ইসির ব্যাখ্যা সালাহউদ্দিন আহমদকে গণঅধিকার প্রার্থীর সমর্থন, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা চকরিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ এক নারী গ্রেফতার মরহুম প্রবীণ সাংবাদিক এসএম হান্নান শাহ ‘র পরিবারের পাশে চকরিয়ার ইউএনও চট্টগ্রাম বন্দরে ৯ জুলাইযোদ্ধার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেকুয়া উপজেলা জামায়াত আমীরের পিতার জানাযায় -সালাহউদ্দিন মায়ের মৃত্যূর ৯ দিন পর পিতার মৃত্যু

এক মাস আগেই জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বর্ষা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইনের হত্যার নেপথ্যে ছিলেন ছাত্রী বর্ষা ও মাহীর রহমান। বর্ষার পরিকল্পনা ও প্ররোচনায় মাহীর ও তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই এ হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন মাহীরের সঙ্গে তার আরও দুই বন্ধু ছিল। হত্যার জন্য তারা নতুন দুটি সুইচগিয়ার ছুরি কিনে আনে। পরে বর্ষার নির্দেশে মাহীর জোবায়েদের ওপর এলোপাতাড়ি ছুরি চালায়।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এটা বর্ষা ও মাহীরের পরিকল্পিত হত্যা। বর্ষার সঙ্গে মাহীরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে আবার বর্ষা জোবায়েদের ওপর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় বর্ষা মাহীরকে না করে দেয়। এবং সে জোবায়েদেকে পছন্দ করে বলে জানায়। কিন্তু কিছুদিন পরেই তার বয়ফ্রেন্ড মাহীরকে জানায় যে জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখন জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বর্ষা ও মাহীর।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে জোবায়েদকে হত্যার এই পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি বর্ষা। পরে মাহীর ও বর্ষাকে মুখোমুখি করলে সকল সত্যতা জানা যায়। জোবায়েদকে কীভাবে সরিয়ে দেওয়া যায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করেন তারা। এখন পর্যন্ত বর্ষাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার শেষ প্রস্তুতি চলছে।

জোবায়েদ হোসাইন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি এবং শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গত এক বছর ধরে তিনি পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১৫, নূরবক্স লেনের রওশান ভিলা নামের একটি বাসায় বর্ষা নামের এক ছাত্রীকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান পড়াতেন। ওই ছাত্রী বর্ষার বাবার নাম গিয়াসউদ্দিন।

গত রোববার বিকেল আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ছাত্রীর বাসার তৃতীয় তলায় উঠতে গিয়ে সিঁড়িতেই খুন হন জোবায়েদ। বাসার নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, আর তৃতীয় তলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় তার মরদেহ।

পরে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বংশাল থানার সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে তারা তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করে রাখেন। ওইদিন রাত ১১টার দিকে পুলিশ ওই ছাত্রী বর্ষাকে হেফাজতে নেয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর আরমানিটোলার নূরবক্স লেনের নিজ বাসা থেকে পুলিশ প্রটোকলে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন জোবায়েদ হোসাইনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট