তারেক রহমানকে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প আরও বলেন, বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর করার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে, যা কৃষক ও শ্রমিকদের জন্যও উপকারী হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পাদনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ফলে সামরিক বাহিনীর হাতে পৌঁছাবে বিশ্বের মান অনুযায়ী সর্বোত্তম আমেরিকান-তৈরি সরঞ্জাম।
চিঠিতে ট্রাম্প আরও আহ্বান জানান, উভয় দেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হোক এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক স্থাপন করা হোক, যার মাধ্যমে সার্বভৌম দেশগুলো সমৃদ্ধ হতে পারবে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ।










