শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক ও হেলপার নিহত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা লামায় সার্ভেয়ার মোঃ আতিকুর রহমান এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ চকরিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় মহানবমীতে চকরিয়া হরি মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যোগে স্কুল ও মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য লক্ষাধিক টাকা সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ব্যবহৃত মেশিন জব্দ ও ধ্বংস চকরিয়ায় মিথ্যা মামলা থেকে জামিন পেলেন কলেজ শিক্ষার্থী আরমান,আদালতে প্রতারণা মামলা

কক্সবাজারের রামুতে বিনোদন পার্কের সামনে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবা ও সিএনসিজিসহ গ্রেফতার ৩।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ নাছির উদ্দিন, রামু(কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামুতে বিনোদন পার্কের সামনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি সফল অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব-১৫। শনিবার (২৩ মে ২০২৬) সকাল ও দুপুরে পরিচালিত এই ধারাবাহিক অভিযানে সর্বমোট ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই নারী মাদক কারবারি রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং গ্রামের মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামু উপজেলার ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়া উপজেলার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ এর সূত্রে জানা যায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদে শনিবার সকাল থেকেই রামু থানাধীন ‘বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের’ সামনের কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উপর বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল।

র‌্যাবের তল্লাশি কার্যক্রম চলাকালে সকাল আনুমানিক ০৯:৩০ ঘটিকায় চেকপোস্টের দিকে আসা একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেয় র‌্যাব। এ সময় র‌্যাবের সংকেত উপেক্ষা করে চালক কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দল অত্যন্ত তৎপরতার সাথে ধাওয়া করে সিএনজিসহ চালক মোজ্জামেল হককে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার পিস ইয়াবা। একই সাথে মাদক বহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

প্রথম অভিযানের পরেও এলাকায় র‌্যাবের নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। এরই মধ্যে আনুমানিক ১১:৪০ ঘটিকার দিকে আরেকটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই চেকপোস্টে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামানো হয়। সিএনজিতে থাকা দুই নারী যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নারী র‌্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাদের দেহ ও সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়।

এ সময় তাদের ব্যাগের ভিতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৬টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১৫ এর জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান সংগ্রহ করে আসছিল। পরবর্তীতে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা এই মাদক পাচার ও বেচাকেনা করতো।

উদ্ধারকৃত ৩২ হাজার পিস ইয়াবাসহ জব্দকৃত আলামত এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এবং সীমান্ত জেলাকে মাদক মুক্ত করতে তাদের এই ধরণের কঠোর ও ঝটিকা অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।###

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews