
এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
ঈদুল ফিতরের ঈদকে ঘিরে কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে উৎসবের আমেজে ভরপুর হয়ে উঠেছে। বীচ পয়েন্টসহ সবখানে যেন লোকে লোকারণ্য।
ঈদের ভরা মৌসুমে কয়েকদিন কোথাও জায়গা পাওয়া মুসকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কক্সবাজারের পর্যটন স্পটসমূহে নারী পুরুষসহ নানান শ্রেণী পেশার মানুষের ঢল নেমেছে। ঈদের ছুটিতে দূরদূরান্ত থেকে আগত পযর্টকদের বাঁধভাঙা উচ্ছাস থেমে নেই বালিয়াড়িতে। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র নগরী সৈকতের সবকটি পয়েন্টে লোকারণ্য।
এবারের ঈদে টানা ছুটির ফলে ঈদ উৎসবে ছুটে এসেছেন কক্সবাজার সৈকতে। প্রিয় মানুষের সাথে, প্রিয় মুহূর্তকে স্বরনীয় করে তুলতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নারী পুরুষরা ছুটে এসেছেন সৈকতে।
ঈদ পরবর্তী কয়দিন ধরে সকাল থেকেই পর্যটন স্পট লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, প্রচন্ড মানুষের ভীড়। কোথাও তিল পরিমান জায়গা নেই। কেউ কেউ বালিয়াড়িতে দলবেঁধে হৈ-হুল্লোড়ে মেতে উঠেছে, আবার কেউ ভর দুপুরে সাগরের তিক্ত নোনাজলে গা ভেজাচ্ছেন আর কেউবা সেলফিতে মত্ত। কেউ কেউ প্রিয়জনের সাথে, অনেকে আবার পরিবারের সাথে এসে কক্সবাজারের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
সমুদ্র সৈকত ছাড়াও পর্যটকরা ইনানী,হিমছড়ি, পাকুয়ার টেক, বৌদ্ধ প্যাগোডায়, আদিনাথ মন্দির, চৌফলদন্ডী সেতু, সোনাদিয়া দ্বীপ, বাতিঘর, শহরের বার্মিজ মার্কেট ও শুঁটকির স্থানসমূহে নারী পুরুষরা ভীড় করছে প্রতিনিয়ত।
ঈদের এই পযর্টন মৌসুমকে ঘিরে হোটেল- রেস্তোরাঁ, অভ্যন্তরীণ পরিবহনে পর্যটকদের অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে। এতে দূরদূরান্তের পযর্টকরা চরমভাবে হতাশ।
চট্টগ্রাম থেকে আসা শাকিল জানান, ‘ঈদের ছুটিতে সময় কাটাতে প্রতিবছরই কক্সবাজার আসা হয়। সমুদ্রসহ পযর্টন স্পটের অপার সৌন্দর্য দেখে মনটা ভরে যায়।
স্থানীয় পযর্টকরা জানান, এবারের ঈদে পর্যটক বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন কক্সবাজারে। এ পযর্টন এলাকার সুনাম অক্ষুন্ন ও মান ধরে রেখে পর্যটক হয়রানি বন্ধসহ ন্যায্যমূল্য রাখার প্রতি আহবান। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-নজর দাবী।###