
চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন গুলো জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৌশলে তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। আবার তেল মজুত নেই, বা অপ্রতুল সরবরাহ মুহুর্তে বিক্রি শেষ অজুহাতে বন্ধ রাখা হচ্ছে ফিলিং স্টেশন গুলো।অন্যদিকে ফিলিং স্টেশন গুলো বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে তোলা দোকানে তেল বিক্রিতেও চলছে চরম নৈরাজ্য। আবার তেল নেই উছিলায় হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত টাকা।
রবিবার (২৯ মার্চ) থেকে অবৈধ মজুতদার ফিলিং স্টেশন এবং খুচরা তেলের দোকানে অভিযান শুরু করেছেন চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানের অংশ হিসেবে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার রুপায়ন দেব ।
চকরিয়া পৌরশহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মুদির দোকানে খুচরা জ্বালানী তেল বিক্রিতে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ারএবং ওজনের কারপচুপির অপরাধে দুইটি দোকানকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছে আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৌশলে তেল বিক্রিতে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আবার ওজনেও কারচুপি করছেন কতিপয় দোকানী। রোববারের প্রথম অভিযানে দুই তেল দোকানীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে জ্বালানি তেল নিয়ে কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ##