
মোঃ নাছির উদ্দিন, রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
“কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন রামু উপজেলার সাথে আছে, রামুতেই থাকবে। আপনারা যেতে চাইলেও আমরা আপনাদের ছাড়বোনা, আপনারা শান্ত থাকুন। উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল এমপি। রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকালে রামু উপজেলা বাঁকখালী অডিটোরিয়াম
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথাগুলো বলেন। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নবাসী আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল এমপি মহোদয়ের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য যে, জনমত যাচাই না করে কক্সবাজারের রামু উপজেলার পূর্বাঞ্চলের কাউয়ারখোপ, কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া ও ঈদগড় ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা “বাঁকখালী” গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নবাসী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবগত হওয়ার পর কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন কে নতুন উপজেলা বাঁকখালীতে যুক্ত করার প্রতিবাদে
শনিবার বিকেল ৩টায় কাউয়ারখোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সভাপতি মোক্তার আহমদের সভাপতিত্বে কাউয়ারখোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাজ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নবাসীর মতামত ও জনমত উপেক্ষা করে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন ধরে কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন রামু উপজেলার সঙ্গে প্রশাসনিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত। তাই কাউয়ারখোপ ইউনিয়নকে কোনোভাবেই রামু উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে নতুন উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।
সভায় উপস্থিত কাউয়ারখোপবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘোষণা দেন—
“আমরা কাউয়ারখোপ ইউনিয়নবাসী, রামু উপজেলাতেই আছি, রামুতেই থাকবো।”
তারা জনমত যাচাই ছাড়া কাউয়ারখোপ ইউনিয়নকে প্রস্তাবিত বাঁকখালী উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ বন্ধ করে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নকে রামু উপজেলার সঙ্গেই বহাল রাখার দাবি জানান।