
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “বাবার বিএনপি সদস্যপদ জালিয়াতি করে সার ডিলারশিপ নিলেন ছাত্রলীগ নেতা” শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। উক্ত সংবাদে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানো হয়েছে। আমি আব্দুল মোতালেব এই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
১. রসিদ ও বহি নাম্বার নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব:
সংবাদে বিএনপির সদস্যপদ নবায়নের রসিদ জালিয়াতির যে হাস্যকর অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মূলত সদস্যপদ নবায়নের বহি নাম্বার ৪৩৪৭৬ একটিই, কিন্তু এর ভেতরের রসিদ (রিসিপ্ট) নাম্বার দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন—যার একটি হলো ৪৩৪৭৫০১ এবং অন্যটি ৪৩৪৭৫১০। একটি বহির অধীনে একাধিক ক্রমিক নাম্বারে রসিদ থাকাটাই স্বাভাবিক নিয়ম। অথচ দুটি ভিন্ন রসিদ নাম্বার থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বহি নম্বর এক হওয়ার বিষয়টিকে পুঁজি করে একে ‘একই রসিদ’ ও ‘জালিয়াতি’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুটি ভিন্ন রসিদ নাম্বার হলে তা কীভাবে একই রসিদ বা জালিয়াতি হয়, তা আমার বোধগম্য নয়।
২. যোগাযোগ না করেই একতরফা সংবাদ প্রকাশ:
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে আমার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও আমাকে পাওয়া যায়নি—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃত সত্য হলো, সংবাদ প্রকাশের পূর্বে আমার সাথে কোনো ধরনের যোগাযোগই করা হয়নি এবং আমাকে কোনো ফোনও দেওয়া হয়নি। আমার বক্তব্য না নিয়েই একতরফাভাবে এই মানহানিকর সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
৩. নামের বিভ্রান্তি ও প্রকৃত সত্য:
আমাদের এলাকায় ‘মোতালেব’ নামে তিনজন ব্যক্তি রয়েছেন। একটি কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল এবং সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার হীন উদ্দেশ্যে নামের এই মিলকে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি (আব্দুল মোতালেব) কখনোই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। মূলত সরকারি সকল নিয়ম-নীতি ও বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এবং উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সার ডিলারশিপের বিষয়টি সম্পন্ন হয়েছে।
আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রকৃত সত্য ও রসিদ নাম্বারে বিষয়টি যাচাই-বাছাই পূর্বক আমার এই প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করবেন।
প্রতিবাদকারী:
আব্দুল মোতালেব
লামা সদর ইউনিয়ন, লামা, বান্দরবান।