মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বন্যা বিরতির পর চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, বহিষ্কার ১, অনুপস্থিতি ১ হাজার ৮২৫ চকরিয়ায় মানাল চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন সাড়ে ৩শ মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এশিয়ান আবাসিক স্কুলে আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন রামুতে সিএনজি-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, দুই বোনসহ নিহত ৩ মাতামুহুরিতে বন্যার্তদের মাঝে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান। জট খুলতে শুরু করেছে কক্সবাজারের একরামুল হত্যার, শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্ত ১১ স্বৈরাচার সরকারের শেষ সময় থেকে সবাই রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা পেয়েছেন-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সামাজিক বনায়নের ৩৬ উপকারভোগীর মাঝে চেক বিতরণ, প্রধান অতিথি এমপি আলমগীর ফরিদ বঙ্গোপসাগরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, ৩৬ দিন পর জীবিত উদ্ধার দুই শ্রীলঙ্কান জেলে চকরিয়ায় বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রি বিতরণ

বন্দর বিদেশিদের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে গলার কাঁটা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ১২ দলীয় জোটের নেতারা।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রামসহ দেশের সব বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

নেতারা বলেন, অস্বাভাবিক দ্রুততায় বিদেশি কম্পানির নিকট কনটেইনার টার্মিনাল তুলে দেওয়া দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে ও এটি জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।

তারা বলেন, বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

বিদেশিদের হাতে টার্মিনাল পোর্ট ও বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্ন যুক্ত আছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রের নীতির নির্ধারণী বিষয়ে এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না। বিগত স্বৈরাচারী সরকার দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশকে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এহেন কর্মকাণ্ডই অতীতকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
দেশের জনগণ, জনমত ও জন আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যেকোনো কার্যক্রম জনরোষের মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর করবে।

 

নেতারা আরো বলেন, গভীর পরিতাপের বিষয় যে, বর্তমানে অন্তবর্তী সরকারও বিগত স্বৈরাচারী সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

নেতারা অনতিবিলম্বে এই সরকারকে দেশবিরোধী চুক্তি তথা বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত থেকে বিরত থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান। অন্যথায় ১২ দলীয় জোট দেশের আপামর জনগণকে সঙ্গে দেশ বিক্রি চুক্তির বিরুদ্ধে দুর্বার গণ-আন্দোলন গড়ে তুলবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন ও নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews