
এইচ.এম.আকতার মিয়া,(মহেশখালী)কক্সবাজার:
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, হামিদুর রহমান আযাদ কেবল সংসদ সদস্য (এমপি) হয়েই থেমে থাকবেন না, বরং ভবিষ্যতে তিনি একজন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—ইনশাআল্লাহ।
সোমবার দুপুরে ‘বড় মহেশখালী’ এলাকায় আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
“মহেশখালীর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এই এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্ব। হামিদুর রহমান আযাদ সেই নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি শুধু এমপি নন, আগামী দিনে মন্ত্রী হিসেবেও দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করবেন।”
জনসভায় হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সভাস্থলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তৃতাকালে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন,
“জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনকল্যাণের রাজনীতি করে। যারা দুর্নীতিমুক্ত, আল্লাহভীরু ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে জানে—তাদের হাতেই দেশ ও জাতির দায়িত্ব তুলে দিতে হবে।”
তিনি বলেন, মহেশখালী শুধু একটি দ্বীপ উপজেলা নয়, এটি সম্ভাবনার এক বিশাল জনপদ। এখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, সমুদ্রবন্দরসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় জনগণ এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থার পরিবর্তনে হামিদুর রহমান আযাদের মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন,
“আমি আপনাদের সন্তান। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও আস্থা দিয়েছেন, তার প্রতিদান দিতে চাই কাজের মাধ্যমে। যদি আল্লাহ তায়ালা সুযোগ দেন, তবে মহেশখালীর প্রতিটি ঘরে ন্যায়বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও উন্নয়নের আলো পৌঁছে দেব।”
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকে ব্যবসা নয়, ইবাদত হিসেবে দেখলে দেশ বদলানো সম্ভব। জনগণের ভোট ও সমর্থনই তার শক্তি।
জনসভা শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, এই ঘোষণা মহেশখালীর রাজনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, ডা. শফিকুর রহমানের এই বক্তব্য আগামী জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
উল্লেখ্য, হামিদুর রহমান আযাদ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।