
লামা পৌরসভার সাবেক বিলছড়ি ৬ নং ওয়ার্ডে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী হালিমা বেগমকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিযুক্ত মোঃ বাতেন।
প্রতিবাদলিপিতে মোঃ বাতেন দাবি করেন, কৃষিজমিতে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হলেও হালিমা বেগমকে মারধর কিংবা হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
মোঃ বাতেন বলেন, “আমার হাত প্রায় এক বছর আগে ভেঙে যায়। কয়েকদিন আগেই হাতে অপারেশন হয়েছে। এ অবস্থায় আমি কীভাবে তাকে মারধর করব?” তাঁর দাবি, প্রকাশিত সংবাদে ঘটনার একটি পক্ষের বক্তব্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তাই উভয় পক্ষের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, ঘটনার পর দুই পরিবারের দুজন লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা হলেন—সালেহা বেগম, পিতা আব্দুল সুবাহান এবং হালিমা বেগম, স্বামী মোঃ হেলাল উদ্দিন।
তারিখ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মোঃ বাতেনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করে নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের কারণে কোনো পক্ষের প্রতি একতরফা ধারণা তৈরি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদকারী:
মোঃ বাতেন
সাবেক বিলছড়ি, ৬ নং ওয়ার্ড
লামা পৌরসভা, বান্দরবান